নওগাঁ পৌরসভার জারি করা ২য় নোটিশের নির্ধারিত ৩ দিনের সময়সীমা পার হয়ে গেলেও অবৈধ নির্মাণ অপসারণে এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পৌরসভার নোটিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ কি শুধুই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ, নাকি বাস্তবেও তা কার্যকর হবে?
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁ পৌরসভা কার্যালয় থেকে “২য় নোটিশ” শিরোনামে একটি লিখিত নোটিশ জারি করা হয়।
ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, এর আগে ৭/৫/২০২৬ ইং তারিখে নপৌস/প্রকৌ:/৫৭২ নম্বর স্মারকে অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে নির্মাণকারীকে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছিল। তবে নোটিশ প্রাপ্তির পরও অবৈধ নির্মাণ বন্ধ কিংবা অপসারণ করা হয়নি, যা পৌর বিধির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে নওগাঁ পৌরসভার পক্ষ থেকে জারি করা ২য় নোটিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়, নোটিশ প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিতে হবে, অন্যথায় পৌর বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, নোটিশে বেঁধে দেওয়া ৩ দিনের সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হলেও এখন পর্যন্ত পৌরসভার পক্ষ থেকে অবৈধ নির্মাণ অপসারণে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের ভাষ্য, পৌরসভার নোটিশ জারির পরও যদি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে অবৈধ দখল ও অবৈধ নির্মাণকারীরা আরও উৎসাহিত হবে এবং সাধারণ মানুষ পৌর প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে আস্থা হারাবে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম হয়েছে।
অনেকেই মনে করছেন, অবৈধ নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ দিয়েও যদি প্রশাসন নীরব থাকে, তাহলে তা আইনের শাসন ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, নওগাঁ পৌরসভার উচিত দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নোটিশ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ আইন অমান্য করার সাহস না পায়।
এ বিষয়ে নওগাঁ পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিংবা দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্ভেয়ার সারোয়ার জাহান, ভুক্তভোগী কে জানান। আরো সময় লাগবে আমাদের লোকোবল নাই লোকবল শর্ট। আপনি আরো একবার দুই সপ্তাহ পরে আসেন বলে জানিয়েছেন। তবে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, পৌরসভা দ্রুত অবৈধ নির্মাণ অপসারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে জারি করা নোটিশের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করুক।