• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি অব্যাহত রাখা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান- এলজিআরডি মন্ত্রীর জঙ্গলের গল্পে আফরিনের ‘পালালে প্রেম হয়’ নতুন পরিচয়ে পর্দায় আদ্রিতা রায়পুরা উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের নতুন কমিটির শপথ ও দায়িত্ব হস্তান্তর স্বপ্নপূরণের পথে রাইসা, অর্জন ‘ফেস অব টুমরো স্বপ্ন থেকে র‍্যাম্পে- নতুনদের পাশে বাংলাদেশ ফ্যাশন রানওয়ে উইক নওগাঁ বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনে ভোগান্তির রায়পুরাকে বঞ্চিত করে কেউ সংসদে বসে বেশি টাকা নিতে পারবে না : এমপি আশরাফ পরিবারের সঙ্গেই পালন করবেন জন্মদিন শান্তা ইসলাম র‍্যাম্প মডেল থেকে অভিনয় ব্যস্ত সাবরিনা সাবরিন

রায়পুরায় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ২

প্রকাশকাল : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
Screenshot

এম আজিজুল ইসলাম : নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার একদিন পর পার্শ্ববর্তী মাধবদী উপজেলার মেঘনা নদী পাড় থেকে কাউসার মিয়া (৩৫) নামে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষ চলাকালে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে অনিক (২২) নামে এক তরুণ নিহত হয়।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার তদন্ত কর্মকর্তা প্রবীর কুমার ঘোষ।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে ওই এলাকার নাজিম উদ্দীন গ্রুপ ও আলাল মুন্সি গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল থেকে দেশীয় অস্ত্র, টেটা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ চলে টানা কয়েকঘন্টা। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর।

নিহত কাউসার (৩৫) নিলক্ষার বীরগাঁও পূর্ব পাড়া এলাকার শাহ আলম এর ছেলের। ঘটনার পর থেকেই সে এলাকা থেকে নিখোঁজ ছিলো। পরে মাধবদীর জিতরামপুর এলাকায় নদী পাড়ে একটি মরদেহ ভেসে থাকার খবরে সেখানে গিয়ে স্বজনরা মরদেহটি কাউসারের বলে নিশ্চিত করে। কাউসার আলাল মুন্সির সমর্থক ছিলো বলে জানা গেছে। সে গত ৩ মাস আগে সৌদি থেকে দেশে ফিরে আসে।

অপরদিকে নিহত অনিক (২২) নিলক্ষা ইউনিয়নের দড়িগাঁও গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার ওসমান মিয়ার ছেলে। সে নাজিম উদ্দিনের সমর্থক ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ববিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরেই আলাল মুন্সির সমর্থকরা এলাকার বাইরে ছিলেন। মঙ্গলবার ভোরে তারা স্পিডবোটে নিলক্ষায় প্রবেশ করে নাজিম উদ্দিন গ্রুপের সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এরপরই দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। দ্রুত এই সংঘর্ষ হরিপুর ও দড়িগাঁও এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়ে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কয়েক দফায় তাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলে।

এ সময় প্রতিপক্ষের ছোঁড়া গুলিতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন অনিক। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাঁকে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, মাধবদী থানা এলাকা থেকে কাউসার নামে একজনের লাশ পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের মৃত্যুর খবর শুনা গেছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাকিদের লাশ পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

৭ responses to “রায়পুরায় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ২”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার